• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান পেতে স্ত্রীর পদযাত্রা

সিসি ডেস্ক, ৫ এপ্রিল: লি ওয়েনজু’র স্বামী ছিলেন একজন আইনজীবী এবং পুলিশী নির্যাতনের বেশ কিছু মামলা তিনি দেখছিলেন। বিবিসিকে তিনি বলেছেন যে তার স্বামীকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী আটক করেছে প্রায় এক হাজার দিন অর্থাৎ তিন বছরের বেশি সময় আগে।

এরপর থেকে তিনি আর তার কোন খোঁজই পাচ্ছেননা, এমনকি তার স্বামী জীবিত আছে কি-না তাও নিশ্চিত নন তিনি।

এখন তিনি জানতে চান যে আসলে তার স্বামীর ভাগ্যে কি ঘটেছে।

আর সে কারণে তার স্বামী ওয়াং কুয়ানঝ্যাং যেখান থেকে আটক হয়েছিলো সেই তিয়ানজিন শহর অভিমুখে বেইজিং থেকে পদযাত্রা শুরু করেছেন তিনি।

স্বামীর খবর পেতে এ যাত্রায় তার হাঁটার কথা রয়েছে অন্তত একশ কিলোমিটার বা ৬২ মাইল।

মিস্টার ওয়াং ২০১৫ সালে দেশব্যাপী পরিচালিত এক অভিযানের সময় আরও অন্তত দুশো অধিকার কর্মীর সাথে আটক হন।

ওই অভিযানটি পরিচিত হয়ে উঠেছিলো ‘৭০৯’ অভিযান হিসেবে। কারণ জুলাইয়ের নয় তারিখে সেটি শুরু হয়েছিলো।

আর অভিযানে যারা আটক হয়েছিলো তাদের অনেককেই বড় অপরাধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছিলো চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

মিজ লি এখন তার বারো দিনের পদযাত্রা করছেন কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ তৈরির জন্য যাতে করে তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামীর ক্ষেত্রে আসলে কি হয়েছে।

তার সন্দেহ যে তার স্বামীকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, “তারা (কর্তৃপক্ষ) আমাদের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। একজন নির্দোষ মানুষকে এভাবে আটক করা এবং এক হাজার দিন ধরে বন্দী রাখা – আমি মনে করি এটি একটি নিষ্ঠুরতা। এটা নির্দয় ঘটনা”।

মিজ লি এ পদযাত্রায় সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন আরও একজন নারীকে যার স্বামীও একজন অধিকার কর্মী এবং তাকেও কারাদণ্ড দিয়েছিলো কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ